How to stop worrying and start living ?
written by Md. Nasim Billah (Tufan)
প্রতিদিন আমার মাথার ভেতর ঠিক কত চিন্তা ঘুরে বেড়ায়, তা আমি নিজেও জানি না। এর মধ্যে ৯৯.৯৯% চিন্তাই আসলে কোনো কাজে আসে না। কিন্তু এই অগণিত চিন্তার কারণেই আমাদের জীবন আরও জটিল মনে হয়। অনেক মানুষ এর কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা খুঁজে পায় না, ফলে ডিপ্রেশন, দুশ্চিন্তা (অ্যাংজাইটি)সহ নানা সমস্যার মুখোমুখি হয়। আজ এ বিষয়টি নিয়ে কিছু করণীয় কথা বলব—ইনশাআল্লাহ। এই ধাপগুলো যদি অনুসরণ করা যায়, তাহলে হয়তো কিছুটা সমাধান পাওয়া সম্ভব।
১) ভবিষ্যতে আমরা কী চাই, সেটা কাগজে লিখে রাখা উচিত। সুযোগ থাকলে একটি “ভিশন বোর্ড” তৈরি করে দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখা ভালো। এতে আমাদের লক্ষ্যগুলো সবসময় চোখের সামনে থাকে এবং মনকে সঠিক পথে রাখতে সাহায্য করে।
২) প্রতিদিন সকালে উঠে এগুলো পড়তে হবে এবং গুরুত্ব (প্রায়োরিটি) অনুযায়ী কাজ শুরু করতে হবে।
উদাহরণ:
ধরুন, নিজের একটি বাড়ি কেনা বা বানানো।
প্রথমে বাজেট ঠিক করতে হবে
কোথায় বাড়ি হবে, সেটা নির্ধারণ করতে হবে
কবে বাড়ি বানানো শুরু করা হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে
এভাবে ধাপে ধাপে পরিকল্পনা করলে কাজগুলো সহজ মনে হবে এবং অযথা চিন্তাও কমে আসবে।
৩) নিয়মিতভাবে নিজের নেওয়া ধাপগুলো যাচাই করতে হবে—কোথাও কোনো পরিবর্তন বা উন্নতি দরকার কি না, সেটা দেখতে হবে। সময় ও পরিস্থিতির সাথে মিল রেখে পরিকল্পনায় আপডেট আনা খুবই জরুরি। এতে লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায় এবং এগিয়ে চলা আরও সহজ হয়।
৪) অতীতের খারাপ বিষয়গুলো বা ভবিষ্যতের অজানা ভয় নিয়ে ভাবা উচিত নয়। বরং বর্তমান সময়ে কী ভালো আছে, কিংবা এখন কীভাবে ভালো কিছু করা যায়—সেদিকেই মনোযোগ দেওয়া দরকার। বর্তমানকে ঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলেই ভবিষ্যত আপনাআপনি সুন্দর হবে।
৫) কোনো নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে চিন্তা করতে হলে, ভাবতে হবে সেই বিষয়টির সবচেয়ে খারাপ ফলাফল কী হতে পারে। যখন আমরা সবচেয়ে খারাপ দিকটা মেনে নিতে শিখি, তখন অযথা ভয় কমে যায় এবং বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়।
৬) কোনো নির্দিষ্ট বিষয় বারবার মাথায় ঘুরতে থাকলে, নিচের চারটি কাজ বারবার অনুশীলন করতে হবে—
নিজের দুশ্চিন্তাটা ভালোভাবে রিভিউ করুন (আসলেই এটা কতটা বাস্তব, তা ভেবে দেখুন)
ঘটনাভিত্তিক তথ্য খুঁজে বের করুন (অনুমান বা কল্পনা নয়, বাস্তব তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ভাবুন)
তথ্যগুলো বিশ্লেষণ করুন (যে তথ্যগুলো পেয়েছেন, সেগুলো ঠাণ্ডা মাথায় বিচার করে দেখুন আসলে সমস্যাটা কোথায়)
সম্ভাব্য সমাধান খুঁজে বের করুন (যে বিষয়গুলো আপনার নিয়ন্ত্রণে আছে, সেগুলোর ওপর ভিত্তি করে বাস্তবসম্মত সমাধান ঠিক করুন)






